১৯৩০ সালে জার্মান বিঙানী আলবার্ট আইনস্টাইনের বার্লিনের বাসায় কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
এরলাংগেন-নুরেমবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেইট
দু”বছর আগে এশিয়া এনার্জির উদ্যোগে জার্মানিতে কয়লাখনি দেখাতে একদল সাংবাদিককে ভ্রমণ করানো হয়। তারা আসেন জার্মানির কোলনে। সফররত সাংবাদিকদের মধ্যে দৈনিক আমার দেশের চিফ রিপোর্টার ও উপসম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ ও নয়া দিগন্তের বার্তা সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলী পূর্বপরিচিত। সেই সূত্রেই জার্মানিতে উচ্চশিক্ষারত বাংলাদেশী ছাত্রদের বর্তমান অবস্থা, শিক্ষা, চাকরিসহ বিদ্যমান বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাগুলো সম্পর্কে তাদের সাথে আলোচনা হয়। পরে পত্রিকা দু’টিতে এ বিষয়ে বিস্তারিত দু’টি রিপোর্টও করা হয়। এখানে আরো কিছু তথ্য ও অভিজ্ঞতা লেখার আশা রাখি।
বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি পর্যন্ত মানসম্পন্ন শিক্ষা, গবেষণা, অগণিত আবিষ্কার, ভারী যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারী আর দু-দু’টি বিশ্বযুদ্ধের দেশ জার্মানি যে একটি আলোচিত, তা বলাই বাহুল্য। গবেষণা আর উন্নতির চরম শিখরে আরোহণের পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থাও বিশ্বমানের এটা বলার অপেক্ষা রাখে না।
কবি রবীন্দ্রনাথ নাকি বিংশ শতকের শুরুতে জার্মানির শিক্ষাব্যবস্থার উঁচু মান দেখে আক্ষেপ করে বলেছিলেন ‘আমার ডিগ্রিটা যদি জার্মানি থেকে হতো’। রবীন্দ্রনাথের আক্ষেপ যে খুব একটা বাড়াবাড়ি ছিল না, তা বোঝা যায় গোটিংগেন (Goettingen) বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গেলে। গণিত বিদ্যায় উচ্চশিক্ষার এক সময়ের তীর্থস্থান ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই সাতচল্লিশ জন বিজ্ঞানী নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। সেই রাম আর অযোধ্যা হয়তো এখন আর নেই। দু’টি সর্বগ্রাসী বিশ্বযুদ্ধই এর অন্যতম কারণ।
জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার প্রায় ৩০০ ইনস্টিটিউশন রয়েছে। এর মধ্যে ৮২টি বিশ্ববিদ্যালয়, ১৩৬টি অ্যাপ্লাইড বিশ্ববিদ্যালয় এবং মিউজিক ও ফাইন আর্টবিষয়ক ৪৬টি কলেজ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে ২০ লাখ ছাত্রছাত্রীর মধ্যে ১২ শতাংশ বিদেশী। বিদেশীদের মধ্যে আবার ৯ শতাংশই পুরো বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষা জার্মানিতে শেষ করেছেন। গত ১৫ বছরে জার্মানিতে বিদেশী ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়েছে।
এখানে মূলত তিন ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় আছে। প্রথমত, অ্যাপ্লায়েড বিশ্ববিদ্যালয় (Applied Science University)। যেখানে ছাত্রদের মূলত চাকরি অরিয়েন্টেড (Job-oriented) বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেয়া হয়। গবেষণামূলক কাজ এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে হয় না বললেই চলে। দ্বিতীয়ত, টেকনিক্যাল বা প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (Technical University), যেখানে প্রকৌশলসহ বিজ্ঞান বিভাগের বিষয়গুলো পড়ানো হয়। সাথে সাথে রয়েছে ব্যাপক গবেষণামূলক প্রকল্প। তৃতীয় ভাগে আছে নরমাল বিশ্ববিদ্যালয়, যেগুলো মূলত ইউনি (Uni) হিসেবে পরিচিত। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, কলা, বাণিজ্যসহ সব অনুষদই পড়ানো হয়। আকারে ইউনিগুলো বড় হয়ে থাকে।
অনেক ইংলিশ ভাষাভাষী দেশে ছাত্রবৃত্তি (Scholarship) নিয়ে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি নিজ অর্থায়নে (Self Finance) পিএইচডি করার সুযোগ থাকলেও জার্মানিসহ অনেক ইউরোপীয় দেশ এই নিয়মের ব্যতিক্রম। এখানে পিএইচডি পর্যায়ের সব ছাত্রই প্রায় চাকরির সমপরিমাণ বৃত্তি বা বেতন পেয়ে থাকেন। কিন্তু এসব সুযোগ বিজ্ঞান বা প্রকৌশল বিষয়ের ছাত্রদের জন্যই বেশি। এখানে একটা বিষয় বলা দরকার, ইউরোপের মধ্যে ইংল্যান্ডে মনে হয় লেখা পড়া কিছুটা ব্যবসায়ীক ধাচের। ইউরোপের অন্যান্য দেশে লেখা পড়া (কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া)মুলত ফ্রি (Free of Cost)। অনেক বন্ধু-বান্ধবের কাছে শুনেছি ইংল্যান্ডে নাকি নিজের পয়সা দিয়েও পিএইচডি করা যায়। এটা যে জার্মানীতে সম্ভব না এটা হ্লফ করেই বলতে পারি।
উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বিষয় নির্ধারণের ব্যাপারে আপনাকে বুদ্ধিমান হতে হবে। আগেই বলেছি, আপনার টার্গেট যদি হয় শুধু মাস্টার্স বা পিএইচডি শেষ করে দেশে ফিরে যাওয়া তাহলে যেকোন সাবজেক্ট আপনি চয়েচ করতে পারেন। আর যদি মাস্টার্স শেষ করে পিএইচডি করতে চান বা জব (Job)করতে চান তাহলে ট্রেডিশনাল সাবজেক্ট চয়েস না করে যুগোপযোগী সাবজেক্ট চয়েচ করতে হবে। সব বিষয়ে (Subject) ফান্ড পর্যাপ্ত নয়। বাংলাদেশ থেকে একজন ছাত্র যা ব্যবহারিক জ্ঞান নিয়ে আসে, তা জার্মানির মতো হাইটেক দেশের জন্য পর্যাপ্ত নয়। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ছাত্রদের নতুন জিনিস জানা এবং শেখার স্পৃহা থাকতে হবে। ভালো বিষয়, ভালো বিশ্ববিদ্যালয়, ছাত্রবৃত্তির জন্য যথেষ্ট ধৈর্য নিয়ে ইন্টানেটে সার্চ করা এবং যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াতে হবে।
জার্মানিতে মুলত বাংলাদেশী ছাত্ররা ব্যাপক হারে আসতে শুরু করে ২০০১ এর পর, বিশেষ করে ৯/১১ পর যুক্তরাষ্টে ভিসা পেতে নানামুখি সমস্যার কারনে। প্রথম দিকে যারা আসেন, তাদেরকি বেশ কিছু সমস্যা ফেজ করেন, যেমন ভাষা সমস্যা, সাবজেক্ট নির্ধারনে সমস্যা, লেখা পড়া শেষে চাকরী (জব) পেতে গাইডেন্সের অভাবসহ নানাবিধ সমস্যা। পরর্বতি ব্যাচের ছাত্ররা আগের ব্যাচের সিনিয়রদের সাহায্যে সেটা অনেকাংশে কাটিয়ে উঠে।
বুদ্ধিজীবী নামের কলঙ্ক, পার্শ্ববর্তী দেশের অর্থে পরিচালিত গণমাধ্যম আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমিকে যখন ব্যর্থ রাষ্ট্র (Dysfunctional State) প্রমাণের জন্য আদাজল খেয়ে নেমেছে। তখন হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে একটি হাইটেক দেশে আমাদের দেশের অজপাড়াগাঁয়ের ছেলেরাই তাদের মেধার যথেষ্ট স্বাক্ষর রেখে চলেছে। বিগত বছরগুলোতে যেসব ছাত্র উচ্চশিক্ষার জন্য জার্মানিতে পাড়ি জমিয়েছে তার প্রায় ৯৫ শতাংশ ছাত্রই সফলভাবে উচ্চশিক্ষা সমাপ্ত করে চাকরি, পিএইচডি, পোস্ট ডক্টরেট গবেষণা বা বিভিন্ন গবেষণা কাজে নিয়োজিত আছেন। মজার ব্যাপার হলো সংখ্যায় কম হলেও বাংলাদেশী ছাত্ররা পার্শ্ববর্তী ভারত বা পাকিস্তানের ছাত্রদের তুলনায় বেশিগুণ সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছে।
চৌধুরী শামীম লিখেছেন : আপনার এধরনের এক্যাডেমিক লেখা ভালো লেখা। সবাই তো লেখেন পলিটিক্যাল পেচালী। দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য টান আছে বুঝায় যায়।
দেখি আমিও আমেরিকা লেখা পড়া নিয়ে কিছু লিখব।
মোকাররম৭৬ লিখেছেন : ষ্টিকিতে আপত্তি আছে। এটা আম-জনতার জন্য লেখা না। বিশেষ কিছু লোকের জন্য লেখা। ষ্টিকি করতে হবে, সবার কাছে দরকারী গ্রহণযোগ্য কোন লেখা। ধন্যবাদ
১০
23176
২২ অগাস্ট ২০১০; বিকেল ০৫:৫৮
সাইফ বরকতুল্লাহ লিখেছেন : আমার তো জার্মানি যেতে ইচ্ছে করছে আপনার লেখা পড়ে।
এম এন হাসান লিখেছেন : BBA/MBA এর খানা কেমন????
সিরিয়াস!ইউকে তে দিন কাল ভাল না....
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
২২ অগাস্ট ২০১০; রাত ০৮:২৭
10808
মোকাররম৭৬ লিখেছেন : BBA/MBA করার সুবিধা তুলনামুলক কম। তবে বেশ কিছু ভার্সিটিতে ইংলিশ মিডিয়ামে BBA/MBA করার সুযোগ আছে।
সামনে সংখ্যায় লিখব। ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
১২
23267
২২ অগাস্ট ২০১০; রাত ০৮:২৩
কলমি লতা লিখেছেন : মেডিক্যাল স্টুডেন্টদের জন্য কেমন সূযোগ-সুবিধা, সে বিষয়ে লিখবেন কি?
তারিক রিদওয়ান লিখেছেন : আমি আসতে চাই ইনশাল্লাহ। জার্মানীতে মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং, বিশেষ করে অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং সাইড বেশ ভালো শুনেছি......... আমি এ বিষয়েরই ছাত্র, সে সুবাদে জার্মানী আমার মাস্টার্স এর শর্ট লিস্টে টপ এই আছে
দেখা যাক কি হয়, আল্লাহ কি রেখেছেন কপালে.........
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
২২ অগাস্ট ২০১০; রাত ০৯:২৭
10833
মোকাররম৭৬ লিখেছেন : তোমাকে স্বাগতম জানানোর জন্য এয়ার পোর্টে গাড়ী নিয়ে অপেক্ষা করব। হারি আপ, মাই ডিয়ার লিটিল ব্রদার। >
১৬
23447
২২ অগাস্ট ২০১০; রাত ১১:৩২
আল ইমরান লিখেছেন : আমি B.Sc complete করলাম এই বছরেই। আমার আশা আছে বাইরের ভার্সিটি থেকে উচ্চ শিক্ষা নেওয়ার। আপনার লেখা পড়ে বেশ অনুপ্রাণিত হচ্ছি। যদি আরও বিস্তারিত যেমনঃ cgpa, financial background etc সম্বন্ধে লেখেন তাহলে উপকৃত হব।
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
২৩ অগাস্ট ২০১০; রাত ০২:১৩
10972
মোকাররম৭৬ লিখেছেন : ধন্যবাদ। পরের সংখ্যা গুলো পড়ুন, আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন ইনশাল্লাহ।
১৭
25035
২৫ অগাস্ট ২০১০; রাত ১২:২৪
না_বলা কথা লিখেছেন : বাংলাদেশের ছাত্রছাত্রীদের যা জানতে হবে তা হলো,
১, মাস্টার্সের কোর্সগুলো ১২০ ক্রেডিটের। ৪ বছর অনার্স পড়ার পর ১২০ ক্রেডিটের মাস্টার্স করার কোনই মানে নেই।
তবে কেন এখানকার মাস্টার্সের কোর্সগুলো ১২০ ক্রেডিটের? কারন, জার্মানীতে অনার্সের সময়কাল ৩ বছর। কাজেই ৩ বছরের অনার্স পড়ার পর ১২০ ক্রেডিটের মাস্টার্স পড়াটা যুক্তিযুক্ত।
কাজেই বাংলাদেশের ছাত্রদের এখানে পড়তে আসার কোনই যুক্তি নেই।
২, চাকুরী।
চাকুরীর ক্ষেত্রে সমান অধিকার নেই। জার্মান, ইউরোপের ছাত্রদের অগ্রধিকার আগে।
৩, কানাডা বা অস্ট্রেলিয়াতে ইমিগ্রেশনের সুযোগ আছে, কিন্তু জার্মানীতে ছাত্রাবস্থার ভিসার কার্যকাল গননার মধ্যে ধরা হয় না। কাজেই এখানে এই জাতীয় সুযোগ নেই।
অনেককেই মাস্টার্স করার পড়ে পৃস্টদেশে লাথি মেরে বাংলাদেশের পাঠিয়ে দিয়েছে। কাজেই আমার মতে বাংলাদেশের ছাত্রদের জন্য জার্মানী কোন বিকল্প ব্যবস্থা নয়।
এখন সময় এসেছে, আমেরিকা, ইউরোপকে না বলার, এশিয়াতেই থাকুন। উচ্চশিক্ষার সুয়োগ বাড়ানোর জন্য আমাদেরকে সোচ্চার হতে হবে।
তারিক রিদওয়ান লিখেছেন : লেখক বলেছেনঃ তোমাকে স্বাগতম জানানোর জন্য এয়ার পোর্টে গাড়ী নিয়ে অপেক্ষা করব। হারি আপ, মাই ডিয়ার লিটিল ব্রদার।
সত্যিইইইইইইইইইইইইই?????????? ভাইয়াআআআআআআ??????
আমার ভাইয়াটা কত্তো ভালোওওওওওওও :')
ইনশাল্লাহ আমি আসবো, দোয়া করেন যাতে ভালভাবে অনার্সটা শেষ করতে পারি :-)
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
১৯
33974
০৭ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ০৬:০৯
মাসরুর রাহীল লিখেছেন : পোস্টটির জন্য মাসরুর রাহীল আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছে, গ্রহণ করুন প্লিজ।
আব্দুল হামিদ লিখেছেন : জ্বি ভাই অনেক ভালো লাগল। এখন ভাবছি ইরাসমুস মুন্ডুস স্কলারশীপ নিয়ে বিস্তারিত লিখতে হবে। কারণ বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা দৌড়ে অনেক পিছিয়ে আছে।
ডেনমার্কে আসার পরে আফ্রিকান, ইন্ডিয়ান, চাইনিজ সবারই বন্ধু আছে....আমার কেউ নাই। ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আশায় ছিলাম কাউকে না কাউকে পাব....ভারতীয়, শ্রীলংকান, নেপালিজ, আফগান, থাই, ইরানী অনেককে পেলাম কিন্তু প্রায় আটশ শিক্ষার্থীর মধ্যে হতভাগা এক আমিই বাংলাদেশী....ভাবা যায়!!!
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
২১
75489
০৩ নভেম্বর ২০১০; সকাল ০৯:৪৮
মুক্তিকন্যা সুমাইয়া লিখেছেন : আমি কিন্তু চুপি চুপি আপনার সাক্ষাতকারটি শুনে ফেলেছি। আপনি জার্মানীতে থাকেন। ওই দেশ সম্পর্কে আমাদের অনেক কিছু জানাবেন কিন্তু।
আপনি না আমার ভক্ত। তবে আমার পরের পোস্টগুলো আপনি পড়েননি কেন। এই জন্য আড়ি। বুঝেছেন এবার?
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
১৩ অগাস্ট ২০১১; সকাল ০৯:১১
350354
মোকাররম৭৬ লিখেছেন : আমি তোমার পোষ্ট পড়ি, কমেন্টোও করি তবে অন্য নিক থেকে।
২২
84328
১৪ নভেম্বর ২০১০; রাত ১২:০৩
বিবেক সত্যি লিখেছেন : আসসালাম । খুব অন্ধকারে ঢিল মারেন :-) কিছু কিছু মিলে যায়... তাই বলে ভাববেন না, সব ঠিক...