বৃহস্পতিবার, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ১৭ মে ২০১২; রাত ১০:২২

আদম টিজিং

লিখেছেন মনপবন ৩০ অক্টোবর ২০১০, সকাল ০৬:৩২

পরম করুণাময়-দয়াশীল আল্লাহ’র নামে শুরু করছি

ছোটবেলায় “না-মানুষী বিশ্বকোষ” নামে একটা বই আমার খুব প্রিয় ছিল - প্রাণী জগতের মজার মজার সব তথ্য আর ছবিতে ঠাসা। সে বইয়ের একটা ছবি আমার এখনো চোখে ভাসে - এক অজগর একটা বিশাল বন বরাহকে মুখে ঢুকিয়ে দিয়েছে, আস্ত। সাপ যাই খায় সেটার মাথা আগে গিলে, তারপর শরীরের আর বাকি অংশ। এখন অজগরটা গেলার সময় বুঝতে পারেনি শুকরটা এত বড়। কিছুটা গেলার পর সে এখন আর বাকি অংশটা গিলতেও পারছেনা, বেরও করতে পারছেনা - এসব ক্ষেত্রে বেশিভাগ সময় অজগরটা মারা যায়। যদি অনেক কষ্টে-সৃষ্টে সে শিকারটা গিলে ফেলতেও পারে তবুও অজগরটা খুবই অসহায় হয়ে যায়। মানুষ তাকে পিটিয়ে মারে বা অন্যান্য বড় পশু তাকে আঁচড়ে-কামড়ে শেষ করে ফেলে - সে গলায় খাবার নিয়ে অসহায় ভাবে দেখে, রা-টি কাড়তে পারেনা।

আজকাল খবরের কাগজ দেখলে এদেশকে আমার ঐ সাপের মতই লাগে। পশ্চিমা সভ্যতার শুকরটাকে আমরা হাভাতের মত মুখে ঢুকিয়েছি, গিলতে পারিনি। লাঠির বাড়ি আর হায়েনার নখের আঘাতে আমরা গোঁ-গোঁ করছি, শত্রুদের তাড়িয়ে দেয়া তো দূরে থাক চিৎকারও করতে পারছিনা।

মানুষ একটা যুক্তিবাদী প্রাণী। সে তার বিবেক-বোধ যৌক্তিকতার সাথে ব্যবহার করে পশুত্বকে দমন করে রাখে। যখন তার জৈবিক প্রবৃত্তির উপরে তার মন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে সে পশুর পর্যায়ে নেমে যায়। এখন এই নিয়ন্ত্রণ কিন্তু আপসে আসেনা। স্রষ্টা মানুষকে কিছু আচরণ শিক্ষা দিয়েছেন যা দিয়ে সে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে শেখে। পশ্চিমা সভ্যতার সেক্যুলার শিক্ষা মানুষকে এই মূল্যবোধ শেখায় না। ফলে সমাজে তৈরি হতে থাকে পশু। বড় দুঃখ লাগে যে আমাদের সমাজপতিরা এই পশুদের অত্যাচার থেকে হাত পেতে পশ্চিমা দাওয়াই খোঁজেন, ঘায়ে এসিড ঢেলে চামড়া পুড়িয়ে ফেলেন - অসুখ পেয়ে যায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত।

মানুষ বায়োলজিক্যালি একটা প্রাণী। এর ক্ষুধা আছে, পিপাসা আছে, যৌন তাড়না আছে। মানুষকে স্রষ্টা এভাবেই তৈরি করেছেন। মানুষের বায়োলজিক্যাল চাহিদা যখন পূরণ না হয় তখন একটা পর্যায়ে তার মনের শাসন আর শরীর মানেনা - এটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সত্য। যেমন কোন মানুষ যদি পানিতে ডুবে যায় তখন সে সচেতনভাবে অনেকক্ষণ চেষ্টা করে নিঃশ্বাস না নিতে। কিন্তু কয়েকমিনিট পর জোর করে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখার মেকানিসমটা নষ্ট হয়ে যায়, ফুসফুস আপনাআপনি বাতাস ভরার পথ খুলে দেয়। এর ফলে ফুসফুসে পানি ঢুকে মানুষটা মারা যায়। অথচ অক্সিজেন ছাড়া মানুষ প্রায় আধঘন্টা বেঁচে থাকতে পারে!

ধরুন রংপুরের চরম মঙ্গাপীড়িত একটা গ্রাম। মানুষজন দিনে একবার খায় - তাও কচুর শিকড় সেদ্ধ, ভুসি আর আটার গোলা। আমি সপরিবারে সেখানে গেলাম প্রশাসক হয়ে। আমার পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া অনেক সম্পদ আছে, বেতন-উপরি মিলিয়েও কামাই কম না। আমার জীবনের ধ্যান-জ্ঞান খাওয়া দাওয়া। আমি খাবার জন্য গরু জবাই করলাম, খাসি কাটলাম, মুরগি পটকালাম। পুকুরে জাল ফেলে ধরলাম বুড়ো রুই, বড় কাতল আর বাঘা বোয়াল। পোলাওতে এতটাই ঘি ঢালা হলো যে তার সুবাস গ্রামের শেষ প্রান্তের অন্ধ বুড়ির দরজাতেও গিয়ে কড়া নেড়ে আসলো। মজার ব্যাপার হচ্ছে রান্না আর খাওয়া-দাওয়া সবই করা হচ্ছে বাড়ির সামনের খোলা মাঠটিতে। আমি সপরিবারে খেতে বসলাম খোলা ময়দানে। মাথার উপর চাদর আছে বটে কিন্তু চারপাশে কোন রাখঢাক নেই। কোটরে ঢোকা চোখ নিয়ে সারা গ্রামের ছেলেপেলে আমার খাওয়া দেখছে। খাওয়া দেখছে সে বুড়োটা যে ক্ষুধার জ্বালায় সোজা হয়ে দাড়াতে পারছেনা। মনের চোখ দিয়ে খাওয়া দেখছে সেই অন্ধ বুড়িটাও।

আমার যদি বিবেক বলে কিছু থাকে তবে বুঝব ঘটনাটা ঠিক হয়নি। ভুখা মানুষের না দিয়ে খাওয়াই একটা অন্যায়। আর তাদের সামনে বসে তাদের দেখিয়ে দেখিয়ে এমন খাবার খাওয়া যার খরচ দিয়ে তাদের সবার ডাল-ভাত হয়ে যেত - এটা কোন মাপের অন্যায়?

কিন্তু আমি বিবেকহীন। রাতেও একই ঘটনা ঘটালাম। পরের দিনও। প্রতিদিন একই ঘটনা চলতে থাকলে একদিন কি মানুষ জেগে উঠবেনা? আমার মুখের খাবার কেড়ে নেবেনা? যদি নেয় তখন কি তাকে খুব দোষ দেওয়া যায়?

প্রেক্ষাপটটা একটু বদলাই। আমি সুবোধ টাইপের একটা ছেলে। ছোটবেলা থেকে যে মিশনারি স্কুলে পড়ে এসেছি, সেখানে কোন মেয়ের বালাই নেই। প্রকৃতির নিয়মে শরীরে দিন বদলের ডাক এসেছে। ছাদ থেকে বারান্দায়, সেখান থেকে ঘরের জানালায় অস্থির আমি। কি যেন খুঁজে বেড়াই। বাবা-মার কানের কাছে অবিরাম ঘ্যানর ঘ্যানর করে অবশেষে ভর্তি হলাম কোচিং-এ। সেখানেই খঁজে পেলাম পিছনের পাড়ার সেই মিষ্টি চেহারার মেয়েটিকে - কী সুরেলা তার গলার স্বর, কী চমৎকার তার হাতের লেখা। স্যর পড়ানোর ফাকে তো বটেই, বাসায় অবধি বই খোলা রেখে আমি তাকে দেখতে পাই। বিছানায় শুয়ে চোখ মুদলেও আমি তাকেই দেখি। একদিন কোচিং থেকে বেরোনোর সময় সাহস করে বলে ফেললাম - দাড়াও, কথা আছে। সে পাত্তাই দিলনা। মরিয়া হয়ে সব আবেগ ঢেলে চিঠি লিখলাম। চকিতে তার হাতে দিলাম পাড়ার মোড়ে, একটা গোলাপ সহ। চিঠিটা পড়লোও না! ছিড়ে মুখে ছুড়ে মারলো আমার। আমি অপমানিত, লাঞ্ছিত। কই কোন উপন্যাসে তো এমন ঘটেনি কোনদিন। কোন নাটকে হয়নি। কোন সিনেমাতে না। তবে আমি কী দোষ করলাম? নিজের ভেতর কুঁকড়ে যাবার সাথে সাথে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম, আমিও চূড়ান্ত অপমান করব ওকে।

আবার প্রেক্ষাপট বদলাই। আমি সুস্থ সবল একটা ছেলে। মোটর সাইকেল মেরামতের দোকানে কাজ করি। শরীরে যৌবন এসেছে অনেক দিন হল। হলে গিয়ে এক টিকিটে দু ছবি দেখি আর হাত এবং কোলবালিশের সখ্যতায় দিন চলে। অভাবের সংসার তাই বিয়েও করতে পারিনা। হঠাৎ সেদিন ব্রেক ঠিক করাতে একটি ধনীর দুলাল আসলো। তার পিছনে বসা সাদা গেঞ্জি পড়া এক দুলালী। বুকের থেকে চোখ নামাতে পারছিলামনা। গায়ে কি যেন মেখেছে, কাছে যেতেই মাথা ঘুরতে লাগল। অনেক কষ্টে কাজ সারতে সারতে দেখলাম মেয়েটার হাত খেলা করছে ছেলেটার শরীরে। ধোঁয়া ছেড়ে যখন চলে গেল ওরা তখন পিছন থেকে আমি দেখছি ভার্জিনের বোতল। এরপর থেকে আমার জীবনের লক্ষ্য একটাই। এ মেয়েটির শরীর আমি চাইই চাই - এক রাতের জন্য হলেও চাই। হঠাৎ পাশে তাকিয়ে দেখি আমার মত দোকানের আর তিন জনও শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে একই দিকে তাকিয়ে। ওরাও কি তবে... আমার মতই ভাবছে?

একটা ছেলে বায়োলজিকালি যৌবনপ্রাপ্ত হয় তের থেকে পনের বছর বয়েসে, স্বপ্নকালীন বীর্যপাতের মাধ্যমে। আমাদের দেশে বিয়ে করার জন্য ন্যুনতম বয়স একুশ বছর। স্রষ্টা পরিবার গঠনের যে সামর্থ্য একটা পুরুষকে দিয়ে দিলেন সে সামর্থ্য রাষ্ট্র চেপে রাখল ছয় থেকে আট বছর। কি অদ্ভুত সেই আইন! নিয়মমাফিক বিয়ে করতে পারবেনা কেউ এই সময়ে কিন্তু অবৈধভাবে যে কারো সাথে শোয়া যাবে। একটা মেয়ে বায়োলজিকালি সন্তান ধারণের যোগ্যতা অর্জন করে বার থেকে চৌদ্দ বছরে। কিন্তু তাকে বিয়ে করতে হলে আঠার বছর হতে হবে। এ সময় সে কীভাবে দেহের ক্ষুধা মেটাবে? বিয়ের ফলে সন্তান হলে সাংবাদিকের দল ছুটে আসবে বাল্যবিবাহের হট স্টোরি কাভার করতে, বিয়ে ছাড়া সন্তান হলে নারীবাদীরা আসবে ছুটে - কিশোরী মাকে রক্ষা করতে, তার সন্তানকে হেফাজত করতে।

আমাদের আইনে ব্যভিচারের শাস্তি নেই বরং ব্যভিচারে বাধা দিলে তার শাস্তি আছে! যে রাষ্ট্র বিয়ে করে শরীরের জ্বালা মেটালে জেলে পুরবে সেই রাষ্ট্র বিয়ে না করে একই কাজ করলে চোখ বন্ধ করে থাকবে!

এবার দ্বিতীয় আসামী - সমাজ। ধরা যাক একটা ছেলের বয়স একুশ বছর, সে কি বিয়ে করতে পারবে? তার বাবা-মা বলবে পড়াশোনা শেষ কর। তারপর চাকরি কর, তারপর চাকরি করে কিছু টাকা জমাও - তারপর? হ্যা, এবার বিয়ে করলেও করতে পারো। স্কুল-কলেজ আর ইউনিভার্সিটির সতের বছরের (সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় হলে বিশ) পড়াশোনা শেষ করে অন্তত পাঁচ বছর চাকরি করার পর একটা ছেলের বয়স হয় ত্রিশ। ঝরণা যেমন বসে থাকেনা তেমন যৌবনও বসে থাকেনি। একটু ডিস্কো টাইপের হলে আসল নারীদেহের স্বাদ পাওয়া হয়ে যায় এর মধ্যেই। অল্প কয়টা পয়সা দিলে গার্মেন্টসের মেসে থাকতে দেয় দু’ঘন্টা। আর তপ্ত যৌবন নিয়ে আমার ব্যাকুল বান্ধবীরা তো আছেই।

হাবলা বা অপেক্ষাকৃত সৎ টাইপের ছেলেগুলোর ভরসা এক্স মার্কা ছবি আর লক্ষ লক্ষ পর্নসাইট। বাবা-মা বেশ জানেন ছেলে বাথরুমে গিয়ে কী করে, দরজা লাগিয়ে কম্পিউটারে কী দেখে। তবু উট পাখির মত বালিতে চোখ গুঁজে থেকে বলেন - ‘এ বয়সের দোষ’। আচ্ছা বয়সের দোষে ছেলেটা যদি ভার্চুয়াল জগতের কাজগুলো আসল জগতে করতে চায় তাহলে সবার এত আপত্তি কেন?

আমাদের কালের কন্ঠ পত্রিকা আধাপাতা জুড়ে জোলি-বিপাশার ছবি ছেপে যৌনাবেদনের স্ট্যান্ডার্ড ঠিক করে দিচ্ছে। আমাদের প্রথম আলো বিতর্ক উৎসবের নামে অনেক কটা মেয়েকে আমার বয়’স স্কুলে এনে ঢোকাচ্ছে আমাদের চেনা-পরিচয় করিয়ে দেবার জন্য, সন্ধ্যায় একটা ব্যান্ড শোও আয়োজন করে দিচ্ছে একটু কাছাকাছি হবার জন্য। আমাদের ব্র্যাক ভার্সিটি টার্কের নামে ছেলে-মেয়েদের পাশের বিল্ডিং-এ রাখছে, প্রমের নামে ছেলে-মেয়ে একসাথে নাচতে বাধ্য করছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যলয়ের শিক্ষক হুআজাদ বইয়ে প্রশ্ন করেন একটা মেয়েকে ঘরে আনলে কী হয়? কনডম আছে, পিল আছে; পেট না বাঁধলেই হল। খারাপ কাজ কর, কিন্তু সমাজ যেন না জানে। আমাদের মুক্তমনা সোশ্যাল ডারউনিস্টরা তত্ত্ব শেখায় ধর্ষণে সন্তান ধারণের সম্ভাবনা বাড়ে। এটা তাই মনুষ্য জাতের টিকে থাকার পক্ষে সহায়ক!

- আমরা জ্ঞান অর্জন করতে থাকি।


আমাদের বাবা-মারা ডিশের লাইন ঘরে এনে দেশী গার্লের বিদেশী দেহ দেখিয়ে ছেলেদের সুড়সুড়ি দিচ্ছে। আমাদের লাক্স বিউটি শোতে বিন্দু আর মমরা শাড়ী বাঁকা করে পড়ে এসে আমাদের মনে ঢেউ তুলছে, কার কোমর কত বাঁকা সে হিসাব করে তাদের এসএমএস পাঠাতে বলছে। আমাদের বেরাদর ফারুকি ফাঁকা আপ্যার্টমেন্ট আর নৌকাতে লীলাখেলা করবার আইডিয়া আমাদের মাথায় ঢোকাচ্ছে। আমাদের বিজ্ঞাপন দেখে বোঝাই যায়না কী বিক্রি হবে গ্রামীন ফোনের সিম না একটা গ্রাম্য নারী? আড়ং এর দুধ না নারীর? আমাদের নগর বাউল গান বেঁধে জানায় একা চুমকি পথে নামলে তার পিছু নেয়াই রীতি।

- আমরা অনুপ্রেরণা লাভ করতে থাকি।

আমাদের রাস্তার মোড়ে বড় বিলবোর্ড লাগিয়ে শিক্ষা দেয়া হয় - ভাসাভির সূক্ষ শাড়ী দিয়ে কিভাবে নাভি ঢেকেও খোলা রাখা যায়। ড্রেসলাইনের পুরুষ মডেল আমাদের শিখিয়ে দেয় নারীদেহের কোথায় হাত বুলিয়ে দিতে হয়। আমাদের ভাবীরা পিঠের চওড়া জমিনের শুভ্রতা প্রকাশ করে পয়লা বৈশাখকে ডাকে। আমাদের বোনেরা গলায় রুমাল ঝুলিয়ে টাইট ফতুয়া টাইটতর জিন্স প্যান্ট সহযোগে পড়ে বসুন্ধরায় বাতাস খেতে যায়। আমাদের হাইকোর্ট আদেশ দেয় যে যা খুশি পড়বে কিছু বলা যাবেনা।

- আমরা উন্মুখ চাতকেরা উন্মুখা চাতকীদের করা ইশারা পেয়ে যাই।

কিন্তু রাষ্ট্র আর সমাজ কি চায় আমাদের কাছে? আমরা সেই সব ভুখা মানুষদের মত যাদের সামনে দিয়ে পোলাও-কোর্মা আর মুরগির ঠ্যাং যাবে আর তারা হাঁ করে দেখে বলবে আহা কি চমৎকার খাবার; কিন্তু তাদের একটুও খেতে ইচ্ছে করবেনা? আমরা আদমের সেই সব পুরুষ সন্তান যারা একজন সঙ্গীনির অভাবে মনে মনে মরবে। আমাদের সামনে নানাভাবে নারীর দেহ-তনু উপস্থাপন করা হবে আর আমাদের ধজ্বভঙ্গ-ঋষির নির্লিপ্ততায় তা উপেক্ষা করে যেতে হবে?

যে ভদ্রলোকটা টকশো আর পত্রিকায় বিবৃতি দেয় ইভ টিজিং এর বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার তার ভন্ডামির মুখোশে আমি থুতু দেই। আমি থুতু দেই সেই সমাজপতির নষ্টামিতে যে একটা বেকার ছেলের একটা কাজের ব্যবস্থা করেনা যাতে সে একটা বিয়ে করতে পারে; কিন্তু তাকে বখাটে ছেলের তকমা লাগিয়ে জমি আর রাজপথ দখলের কাজে লাগায়। আমি থুতু দেই এই সমাজের মুখে যা আমার পুরুষত্ব প্রাপ্তির পরের পনের বছরের পুরোটা সময় ধরে এডাম টিজিং করে আজ আমাকে ইভ টিজার বানিয়েছে।

আইন করে, ‘জনমত’ গঠন করে ইভ টিজিং বন্ধ করা যায়নি, যাবেওনা। সেক্যুলার না মানুষকে মুসলিম হতে শেখাতে হবে। এত কষ্ট করে আইন না বানিয়ে আল্লাহ যে আইন দিয়েছেন তা মেনে নিতে হবে। ইভ টিজিং কেন বাংলাদেশ সব পৃথিবীর সব দেশের সব মানুষের সব সমস্যার একটাই ম্যাজিক বুলেট আছে - ইসলাম। আমার মেয়েকে ইভ টিজিং এর হাত থেকে বাঁচাতে চাইলে হিজাব পরাই, মুসলিমাহ বানাই। সমাজকে রক্ষা করতে চাইলে আমার ছেলেকে চোখ নামিয়ে চলতে শেখাই, মুসলিম হতে শেখাই, তাড়াতাড়ি বিয়ে দেই।

রাস্তার মোড়ের বখাটে ছেলেগুলোর নষ্ট হবার পেছনে আমাদের অবদান আছে বৈকি। খারাপ হবার উৎসগুলো বন্ধ না করলে নিত্য-নতুন খারাপ আসতেই থাকবে? নষ্টামির গাছের গোড়ায় পানি আর সার ঢেলে পাতা ছাটাই করলে কি কোন লাভ হবে?

ইসলামের বাঁধন দিয়ে মানুষের ভিতরের পশুটাকে বেঁধে না রাখলে আমাদের সমাজ ঐ অজগরের মত মরে যাবে। নিশ্চিত যাবে। অবধারিত যাবে।

ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : ইভ টিজিং, সমাজে অশ্লীলতা
বিষয়শ্রেণী: ধর্ম-চিন্তা
শেয়ার করুনঃ
২৬৮৮ বার পঠিত, ৪৭ টি মন্তব্য
৩৪ জনের পছন্দ
রেটিং দিতে লগইন করুন
পাঠকের মন্তব্য:
মন্তব্যের জবাব দিতে সমস্যা হলে এখানে ক্লিক করুন এবং নতুন পাতায় মন্তব্য লিখুন
71367
৩০ অক্টোবর ২০১০; সকাল ০৬:৪৫
দামাল ছেলে লিখেছেন : আমাদের দেশে বিয়ে করার জন্য ন্যুনতম বয়স একুশ বছর। স্রষ্টা পরিবার গঠনের যে সামর্থ্য একটা পুরুষকে দিয়ে দিলেন সে সামর্থ্য রাষ্ট্র চেপে রাখল ছয় থেকে আট বছর। কি অদ্ভুত সেই আইন! নিয়মমাফিক বিয়ে করতে পারবেনা কেউ এই সময়ে কিন্তু অবৈধভাবে যে কারো সাথে শোয়া যাবে।

০২ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:৩৪
50989

লালসালু লিখেছেন : কথা সত্য
71376
৩০ অক্টোবর ২০১০; সকাল ০৭:১৬
মারুফ আল্লাম লিখেছেন : বেশ যুক্তি দিয়ে লিখেছেন। একারণে প্রশংসার দাবিদার আপনি। অনেক ধন্যবাদ।
71407
৩০ অক্টোবর ২০১০; সকাল ০৯:৩৩
মনসুর লিখেছেন : - সুন্দর লিখেছেন। ধন্যবাদ।
মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে নেক হেদায়েত দান করুন - আমীন।
71419
৩০ অক্টোবর ২০১০; সকাল ০৯:৫৯
মেরিনার লিখেছেন :
71434
৩০ অক্টোবর ২০১০; সকাল ১০:১২
কাব্যকথা লিখেছেন : সুন্দর লিখেছেন, ধন্যবাদ।
71445
৩০ অক্টোবর ২০১০; সকাল ১০:৩৭
আরাফাত রহমান লিখেছেন : লেখা না যেন বুলেট।
71733
৩০ অক্টোবর ২০১০; বিকেল ০৪:৩৯
tech_sina লিখেছেন : এখন একটু কাজে ব্যস্ত আছি, পরে পড়ে নিব।
71738
৩০ অক্টোবর ২০১০; বিকেল ০৪:৪৯
স্বপ্নচারী লিখেছেন : যে ভদ্রলোকটা টকশো আর পত্রিকায় বিবৃতি দেয় ইভ টিজিং এর বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার তার ভন্ডামির মুখোশে আমি থুতু দেই। আমি থুতু দেই সেই সমাজপতির নষ্টামিতে যে একটা বেকার ছেলের একটা কাজের ব্যবস্থা করেনা যাতে সে একটা বিয়ে করতে পারে; কিন্তু তাকে বখাটে ছেলের তকমা লাগিয়ে জমি আর রাজপথ দখলের কাজে লাগায়। আমি থুতু দেই এই সমাজের মুখে যা আমার পুরুষত্ব প্রাপ্তির পরের পনের বছরের পুরোটা সময় ধরে এডাম টিজিং করে আজ আমাকে ইভ টিজার বানিয়েছে।

অসাধারণ!!!
71758
৩০ অক্টোবর ২০১০; বিকেল ০৫:২০
tech_sina লিখেছেন : আরাফাত রহমান বলেছেনঃ লেখা না যেন বুলেট।
আমিও বললামঃ লেখা না যেন বুলেট।
১০
71971
৩০ অক্টোবর ২০১০; রাত ০৯:০৪
শৈল্পিক ভাবনা লিখেছেন : অনেক ধন্যবাদ
১১
71984
৩০ অক্টোবর ২০১০; রাত ০৯:২১
অলস ছেলে লিখেছেন : দুর্দান্ত। প্রতিটি লাইন পড়লাম। একমত।
১২
71993
৩০ অক্টোবর ২০১০; রাত ০৯:৩৭
লাল বৃত্ত লিখেছেন :
১৩
72019
৩০ অক্টোবর ২০১০; রাত ১০:১৩
তারিক রিদওয়ান লিখেছেন : সত্যিই আমার মনের কথাগুলোই লিখেছেন ভাইয়া!!! কিন্তু কখনো আপনার মতো প্রকাশ করতে পারিনি!!!
আসলে যে আমরা কই যাচ্ছি..... কি আর কমু?
০৪ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:১০
52560

হোসেন খিলজী লিখেছেন : কেন তোমারও বিয়ে করতে ইচছে করছে নাকি
১৪
72702
৩১ অক্টোবর ২০১০; বিকেল ০৪:১৭
রিয়াল ফেরদৌস লিখেছেন : পড়ে খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।
১৫
72737
৩১ অক্টোবর ২০১০; বিকেল ০৪:৪২
মেহেদীপাতা সবুজ লিখেছেন : খুবই ভাল লিখা। পত্রিকায় এই ধরনের লিখা দরকার।
১৬
72802
৩১ অক্টোবর ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:০৩
তায়েফ আহমাদ লিখেছেন : একেবারে ঢেকেঢুকে রাখা সত্য কথাগুলো বলেছেন। সব কথাতেই একমত হয়েছি এমন নয়। তাই বলে, মূল কথায় সহমত জানাতে বাধা নেই। দূর্দান্ত-ধন্যবাদ।
১৭
72906
৩১ অক্টোবর ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:৫৯
নতুন সময় লিখেছেন : অসাধারণ। মনের কথা বলছেন।
১৮
72949
৩১ অক্টোবর ২০১০; রাত ০৮:৩৬
সাজিদ লিখেছেন : এই কথাগুলো অনেকদিন ধরেই আমরা অনেকেই বুঝি কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাধতে কেউ রাজি না।
১৯
73023
৩১ অক্টোবর ২০১০; রাত ০৯:৫৮
অজানা অচেনা লিখেছেন : অসাধারন লিখেছেন! প্রিয়তে রাখলাম।
২০
73075
৩১ অক্টোবর ২০১০; রাত ১০:৫২
অপেক্ষমান লিখেছেন : কিভাবে পারেন এরোকম লিখতে? আপনাকে ধন্যবাদ দেবার ভাষাও গুছিয়ে লিখতে পারলাম না। সোজা প্রিয়োতে।
২১
73086
৩১ অক্টোবর ২০১০; রাত ১১:০৩
মহুয়া হক লিখেছেন : নিষ্ঠুর সত্য।
২২
73128
৩১ অক্টোবর ২০১০; রাত ১১:৩৪
অন্যরকম লিখেছেন : সহমত! একই চিন্তা আমিও করছিলাম। কিন্তু আপনার মত করে গুছিয়ে লিখতে পারছিলা না.......
২৩
73163
০১ নভেম্বর ২০১০; রাত ১২:১৩
আবদুল্লাহ সাঈদ খান লিখেছেন : খুবই ভালো লাগলো। অসাধারণ। মনের কথাগুলোই বললেন।
২৪
73329
০১ নভেম্বর ২০১০; সকাল ০৭:২২
স্বাধীনচেতা লিখেছেন : ধন্যবাদ... চমৎকার যুক্তি দিয়ে লিখার জন্য। আমি প্রায়ই বলে থাকি যে, ধরেন আপনার সামনে একটা বিষাক্ত সাপ আছে, আপনি ঐ সাপের সামনে যেয়ে হাত নাড়া চাড়া করছেন, ফলে সাপ যদি আপনাকে কামড় দিল। আর এ আপনি একারনে যদি মানুষ জড়ো করে বিচার চান যে সাপ আমাকে কেন কামড়াইল? তা হলে মানুষ এর কি বিচার করবে! আরেকটি কথা ধরেন আপনি একটি কৌটার মধ্যে চিনি রাখচেন আর কৌটার মুখ খুলে রেখেছেন, এখন বলেন এই চিনিগুলোতে পিড়ড়া বসলে দোসটা কি পিপড়ার হবে?
যা হোক আমার কথা গুলো বলার কারন হচ্ছে এই..
আল্লাহ নারী জাতীকে খুব সুন্দর কাঠামোতে সৃষ্টি করেছে। আর সেই কারনেই তাদেরকে তাদের সৌদ্যর্যের হেফাজত করতে বলেছে, হিজাব এর মাধ্যমে। এখন কেউ আটসাট, অর্ধ নগ্ন পোশাক পরে যদি গুরে বেড়ায়। তার মানে সে এগুলো পরে অন্যকে তার শরীরের কাঠামো দেখাতে চাচ্ছে। আর প্রকারান্তরে সে চাচ্ছে তার সানিধ্যে কেউ আসুক (এ ছাড়া এসব পোশাক পরার কোন ভাল কারন থাকলে ব্লগারদের জানাতে অনুরোধ করছি)। যার ফলস্বরূপ বখাটেরা তাদের উত্তক্ত করে। যা হোক আমি এইটাকে উত্তক্ত বলবনা কারন এইটাই তারা ভিতরে ভিতরে চায়। আর এসব মেয়েগুলোই যদি আবার নারী উত্তক্তের কথা বলে.. সেটা ন্যাকামি চাড়া আর কিছুই নয়। আবার আমাদের সরকার বোরকা পরা বাধ্যতামুলক করা যাবে না - বলে আইন করে আবার ইভটিজিং নিয়ে টকশো করে। একে বলে... গাছের গোড়া কেটে মাথায় পানি ঢালা। আর ইডেনের ঘটনা থেকে শুনেছি এই সব মন্ত্রি, এম,পি দের বাসায় প্রায় প্রতি রাতেই সয্য সংগি হয় এসব মেয়েরা। সুতরা বোরকা পরার পরিবর্তে নারীদের একটু খোলামেলা দেখতেই আমাদের মন্ত্রি, এম,পিরা বেশি ভালবাসে তাইতো নতুন আইন।

== আমি সেই সব মা, বোনদের শ্রদ্ধা জানাই যারা তাদের সম্ভ্রমের হেফাজত করা সত্ত্বেও বখাটেদের দ্বারা উত্তক্ত হয়। যদিও এই রকম আদৌ শুনা যায় না==
০১ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ১২:৩৭
49777

মনপবন লিখেছেন : শুধু বাজে পোশাক পড়া মেয়েরাই নয়, আমাদের মিডিয়া আর কর্পোরেট জগতেরও অনেক বড় হাত আছে ইভ টিজারদের জন্ম দেবার পেছনে।
২৪ জানুয়ারী ২০১১; বিকেল ০৫:৩৪
114968

মুফতি আমিনুদ্দীন লিখেছেন : মহান রাব্বুল আলামীন অশ্লিলতা ও বেহায়াপনা যেন জন্মই নিতে না পারে সেই জন্য পবিত্র কোরআনে করীমে নারী-পুরুষদের উদ্দেশ্যে ইরশাদ করেন ঃ
قُلْ لِلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ ذَلِكَ أَزْكَى لَهُمْ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِمَا يَصْنَعُونَ
মু’মীনদের বলুন (হে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ছাল্লাম) তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গের হেফাজত করে, এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন। (সূরা আল-নুর ঃ ৩০)
ইরশাদ হচ্ছে ঃ
وَقُلْ لِلْمُؤْمِنَاتِ يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوجَهُنَّ
আর ঈমানদার নারীদের বলুন (হে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ছাল্লাম) তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং যৌনাঙ্গের হেফাজত করে। (সূরা আল-নুর ঃ ৩১)
মহান আল্লাহ তায়ালার এই নির্দেশটি কি খোলা আকাশের নিচে, মরুদ্যানে বা নির্জনস্থানে পালনীয়? না, এমনটি নয়। বরং ক্যাম্পাসে, করিডোরে, হাটে-বাজারে সর্বত্র অর্থাৎ যেখানেই নারী-পুরুষ একত্রিত হবে সেখানেই এই বিধান পালনীয়। নির্জনে ঘরের কোনে বসে নয়। কাজেই চিনির বোতল খোলা রেখে পিপড়াকে নছিহত করা বা দুধের পিয়ালা উন্মুক্ত রেখে বিড়ালকে উপদেশ প্রদানের সাথে শ্রেষ্টজাতি মানুষের তুলনা করা যায়না। পিপড়া আর বিড়াল নির্বোধ প্রাণী, তাদের সাথে তুলনা করে মানুষের বিচার করা যাবেনা। আর এজন্যই তো মহান আল্লাহর বিধান মেনে চলতে পারলে মানবজাতির জন্য যেমন রয়েছে দুনিয়ার জীবনে কল্যাণ তেমনি পরকালেও অসংখ্য অগণিত পুরস্কারে পুরস্কৃত করা হবে। তবে হ্যা, একটি কথা স্বরন রাখতে হবে, আর তা হল : ফিতনা ফ্যাসাদ যত বেশী হবে, শয়তানী চক্রান্ত যত প্রবল হবে, মহান আল্লাহর ভয় অন্তরে রেখে মোকাবিলা করে যেতে পারলে পুরস্কারটাও ঠিক তেমনি পাওয়া যাবে। মহান আল্লাহ তো সবই জানেন। আপনি আমি কোন মূহুর্তে, কোন পরিবেশে তঁাকে স্বরন করেছি, সর্ব বিষয়েই তিনি জ্ঞাত। পক্ষান্তরে কোন ব্যক্তি, কোন সমাজ, সংস্থা বা রাষ্ট্র যদি ধর্মীয় বিধি-বিধান পালনে বাধা হয়ে দঁাড়ায়, বা পরিবেশ নষ্ট করে দেয় সেজন্য সে অবশ্যই সাজা ভোগ করবে, শাস্তি পাবে। দুনিয়াতেও পরকালেও। একজন মুমীনতো তা-ই বিশ্বাস করবে এবং করতে হবে।
বিষয়টি পরিস্কার করে বোঝাতে পারলাম কিনা ঠিক বুঝতে পারিনি। যেহেতু বিষয়টি জটিল, ব্যাখ্যাযোগ্য, এমন একটি বিষয়ের জন্য পূর্ণ একটি আর্টিক্যালের প্রয়োজন। সম্ভব হলে কখনো লিখার চেষ্টা করব, ওয়াদা করলামনা । ধন্যবাদ "আদম টিজিং" এর লিখককে এবং স্বাধীনচেতাকেও। ধন্যবাদ
১৩ জুলাই ২০১১; রাত ১০:৪৫
302941

হাবীবুল্লাহ আল কাছেম লিখেছেন : মুফতি সাহেব # আপনি সুন্দর ভাবে বিষয়টি বুঝিয়েছেন।
২৫
73336
০১ নভেম্বর ২০১০; সকাল ০৮:২৪
অভিমানী লিখেছেন : অসম্ভব সুন্দর। চালিয়ে যান। থ্যাংকু।
২৬
73460
০১ নভেম্বর ২০১০; সকাল ১১:২৬
যুক্তিপ্রাজ্ঞ লিখেছেন : দারুণ লিখেছেন, মুগ্ধ হয়ে পড়লাম এবং লেখার ভক্ত হয়ে গেলাম.
ধন্যবাদ.
২৭
74332
০২ নভেম্বর ২০১০; রাত ১২:০২
পদ্মা লিখেছেন : অনেক ধন্যবাদ
২৮
75236
০২ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৯:৪৮
ভাবুক ভাই লিখেছেন : লেখা অনেক ভাল হয়েছে। ধন্যবাদ।
২৯
75370
০৩ নভেম্বর ২০১০; রাত ১২:৫৯
যাররিনের বাবা লিখেছেন : আপনার লেখার আগেও ভক্ত ছিলাম, সেটি শুধু পাকাপোক্ত হোল।

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যার অপার করুণায় আপনার এ লেখার তওফিক, এবং তার কাছেই কামনা, ভবিষ্যতেও এরকম চোখ খুলে দেয়ার মত লেখা আপনার হাত থেকে বের হতে থাকুক।

আপনার মন্তব্যের জের ধরে, তাই আপনার লেখাটি প্রিন্ট আউট করে কয়েকজনকে বিলাবো চিন্তা করেছি। সেই সাথে যেখানে যেখানে পারলাম শেয়ার করলাম পড়ার জন্য।

আল্লাহ আপনাকে এর উত্তম প্রতিদান দিন, এর চেয়ে কম কোন কিছু আপনার জন্য যথার্থ বলে মনে হচ্ছেনা।
৩০
75725
০৩ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০২:৪৯
প্দ্মা নদীর মাঝি লিখেছেন : অনেক অনেক সুন্দর একটা লেখা পড়লাম।
৩১
76301
০৪ নভেম্বর ২০১০; রাত ০২:১২
শরীফ মিরাজ লিখেছেন : অনেক ধন্যবাদ,পড়ে খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।
৩২
76778
০৪ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:০৯
অক্টোপাশ লিখেছেন : ধন্যবাদ সুন্দর লিখার জন্য। আমার ব্লগ বাড়িতে আসার জন্য ধন্যবাদ।
৩৩
76877
০৪ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:৫৩
শিশির ভেজা ভোর লিখেছেন : দেখেনদিন ভাই কল্লেন ভাই
৩৪
81998
১১ নভেম্বর ২০১০; রাত ০২:০১
ashique129 লিখেছেন : Assalamualikum waramatullahi abarakatuh.
Subhaanallah! Unbelievable!
I have become an instant fan of the writer! His Bangla, style, logic and delivery is of a professional writer who can compete the best.

And I agree with everything he said. Can't really refute or criticise anything!
৩৫
86465
১৬ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০২:৫৭
ajanta লিখেছেন : darun
৩৬
88686
২০ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০১:০৪
shoyeb1351 লিখেছেন : Its a barood.
৩৭
101993
০৫ ডিসেম্বর ২০১০; রাত ০১:৩৮
শরীফ মিরাজ লিখেছেন : নিয়মমাফিক বিয়ে করতে পারবেনা কেউ এই সময়ে কিন্তু অবৈধভাবে যে কারো সাথে শোয়া যাবে। একটা মেয়ে বায়োলজিকালি সন্তান ধারণের যোগ্যতা অর্জন করে বার থেকে চৌদ্দ বছরে। কিন্তু তাকে বিয়ে করতে হলে আঠার বছর হতে হবে। এ সময় সে কীভাবে দেহের ক্ষুধা মেটাবে? বিয়ের ফলে সন্তান হলে সাংবাদিকের দল ছুটে আসবে বাল্যবিবাহের হট স্টোরি কাভার করতে, বিয়ে ছাড়া সন্তান হলে নারীবাদীরা আসবে ছুটে - কিশোরী মাকে রক্ষা করতে, তার সন্তানকে হেফাজত করতে।
৩৮
103225
০৬ ডিসেম্বর ২০১০; সকাল ১১:৩৫
এযেদেখিছাগলেরমেলা লিখেছেন : "ashique129 লিখেছেন :.. Bangla, style, logic and delivery is of a professional writer who can compete the best.

And I agree with everything he said. Can't really refute or criticise anything! "


Refute ba critisize korar moto ghilu thakle to korben! Birat pondit manush aise! Nije pap korbe ar dosh dibe arekjoner khubi bhalo logic! Learn to control your own fucking cock before blaming others for seducing you, you fucking so called religious idiots.
৩৯
339422
১৩ জুলাই ২০১১; রাত ১০:৪৬
হাবীবুল্লাহ আল কাছেম লিখেছেন : মন পবন #
এক কথায় অসাধারণ লিখেছেন। ভীষণ ভাল লাগছে আপনার লেখাটি পড়ে।
৪০
720591
১১ এপ্রিল ২০১২; সকাল ১০:১২
manikmonoar লিখেছেন : তুই কে ভাই?তোর কথা শুনে চোখে জল এসে গেলো ।বাস্তব কথা বলেছিস
মন্তব্য লিখতে লগইন করুন
মনপবন
আসসালামু আলাইকুম, আমি খুশি মনে, আল্লাহকে ভালোবেসে, তার শাস্তিকে ভয় করে, তার পুরষ্কারের আশায় আমার জীবনকে ইসলামের কাছে সমর্পণ করতে চাই, ইসলামকে আমার জীবনযাত্রার কাছে সঁপে দিতে চাইনা। আমি আত্মশ্লাঘা এবং অহংকার থেকে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই।
 
লেখকের অন্যান্য লেখা